ভৌতিক কারণে সকল পর্যটন প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে ভারতের ১৬ টি সুন্দর স্থানে। (ভিডিও)

682

১. ভানগর দুর্গ – পৃথিবীর অন্যতম একটি ভুতুড়ে স্থান।

ভানগর দুর্গ শুধুমাত্র ভারতের সবচেয়ে ভৌতিক জায়গাই নয় সারা বিশ্বের মধ্যেও এটি ভৌতিক স্থানগুলোর শীর্ষে রয়েছে। এই দুর্গ রাজস্থানে অবস্থিত, ভারত সরকারের পক্ষ্ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দুর্গকে ভৌতিক বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এই দুর্গে প্রবেশের জন্য কতৃপক্ষের আদেশ ও নিয়ম খুব কঠোর এবং যারা এখানে সময় কাটিয়ে গেছেন, তারা তাদের গল্পে অস্বাবিক ক্রিয়াকলাপের কথা বর্ণনা করেছেন।

সম্পূর্ণ ডকুমেন্ট

 

২. বৃজরাজ ভবন প্রাসাদ, কোটা, রাজস্থান। যেখানে শ্রী বার্টন ও তার পুত্রকে খুন করা হয়েছিল।

রাজস্থানের কোটার বৃজরাজ ভবন হলো একটি বিশাল রাজকীয় স্থান। এখানে প্রবেশ নিষিদ্ধ, এখানকার রক্ষীরাও ভূতুরে ক্রিয়াকলাপ সম্পর্কে অভিযোগ জানিয়েছেন। ব্রিটিশ আমলে জনৈক বার্টন এবং তার ছেলেকে এখানে খুন করা হয়। এখানকার অধিবাসী ও রক্ষিবাহিনীদের থেকে এই স্থানের বিভিন্ন ভৌতিক অভিজ্ঞতার কথা গণমাধ্যমের সুত্রে জানা গিয়েছে।

 

 

৩. ডুমাস বীচ – গুজরাটের সবচেয়ে সুন্দর বীচ, এখানে একজন মানুষ রাত কাটানোর জন্য গেছিলেন, কিন্তু আর ফেরেননি।

গুজরাটের ডুমাস সৈকত হলো অন্যতম সুদৃশ সৈকত কিন্তু জায়গাটি মোটেই উপভোগ্য নয় কারণ ভারতীয় সরকার স্থানটিকে ভূতুরে স্থান হিসেবে ঘোষণা করেছেন। সুরাটের স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে কোনো ব্যক্তি যদি এই সমুদ্র সৈকত পরিদর্শনে এসে এক রাত কাটান, তাহলে তারা আর কখনই ফিরে আসেন না। এই জায়গায় আগে একটি হিন্দু শ্মশান ছিল।

 

 

৪. কুদহারা – রাজস্থানের ভৌতিক গ্রাম।

রাজস্থানের দ্বিতীয় ভয়ংকর জায়গাটি হলো কুদহারা, ১৯৯০ সাল থেকে এই গ্রাম ভৌতিক গ্রাম হিসাবে পরিচিত। একটি উপকথা অনুসারে, আট শতাব্দীর অধিক ধরে সেখানে থাকা গ্রামবাসীরা হঠাত এক রাত্রিতে বিলুপ্ত হয়ে যায় এবং আর ফিরে আসেনি। কোনো ব্যক্তি এই গ্রামে জমি ও সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করলে গ্রামে উপস্থিত আত্মা তাকে মেরে ফেলে।

৫. ডি’সুজা বস্তি – মহারাষ্ট্রের সর্বাধিক ভৌতিক স্থান।

মুম্বাইবাসীরা মহিমের ডি’সুজা বস্তির সঙ্গে খুব ভালোভাবে পরিচিত কারণ এটি মহারাষ্ট্রের পোড়ো জাগাগুলির মধ্যে সবথেকে ভয়ানক জায়গা। স্থানীয় লোকদের মতে এই জায়গায় একটি মহিলার আত্মা আছে, যিনি কুয়ো থেকে জল তুলতে গিয়ে মারা যান। তিনি কারো ক্ষতি করেন না কিন্তু মানুষদের এই গ্রামের কাছে ঘেসতে দেন না।

 

 

৬. বৃন্দাবন সোসাইটি – থানের সর্বাধিক ভৌতিক স্থান, যেখানে এক অদৃশ্য আত্মা রক্ষীদের থাপ্পর মারেন।

বৃন্দাবন সোসাইটিকে থানের সবচেয়ে ভোতিক স্থান বলে গন্য হয়, যেখানে একজন মানুষ অনেক বছর আগে তার জীবন হারিয়েছেন। রক্ষীরা তাদের বয়ানে জানিয়েছেন যে রাতে তারা প্রহরারত অবস্থায় কেউ চোখের পাতা বুঝলে সেই সময় কেউ একজন এসে নাকি তাদের সজোড়ে থাপ্পর মারে!

৭. তাজমহল প্রাসাদ হোটেল – সম্পূর্ণ বারান্দা জুড়ে ভুতুরে আনাগোনার কথা শোনা যায়।

হ্যাঁ এটা সত্য! বলা হয়ে থাকে যে, তাজমহল প্রাসাদের স্থপতি কাঠামো অনুসারে হোটেল তৈরি না করার জন্য হোটেলের ভিতরে খুন হন। অনেকে হোটেলের বারান্দার প্রবেশ দ্বারে তাঁর ভূত দেখেছেন বলে জানিয়েছেন। সেখানে না যাওয়া অবধি আপনার পক্ষে এর সত্য উত্ঘাতন করা সম্ভব নয়।

৮. আসামের জাতিঙ্গা – অসমাধিত পাখিদের আত্মহত্যার জন্য এই স্থান বিখ্যাত।

আসামের জাতিঙ্গা পাখিদের জন্য একটি সুন্দর জায়গা। অসমাধিত পাখি আত্মহত্যার কারণে জায়গাটি বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত। ঘটনা খারাপের দিকে যায় যখন লক্ষ্য করা হয় পাখিরা সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে ৬.৩০ থেকে ৯ টার মধ্যে মারা যায়। এই ঘটনাটি বুঝতে বিভিন্ন গবেষণা হয়েছে, কিন্তু কিছুই সুরাহা পাওয়া যায়নি।

সূত্রঃ faporbaz